বন্দিদশার অবসান: আনন্দের না বিভীষিকার

পৃথিবীর অনেক দেশেই লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সংক্রমণের হার এখনও তুঙ্গে, তবুও আমরা আমাদের গুহামানবীয় কড়চার ইতি এখানেই টানবো বলে ঠিক করেছি এবং গল্পের পরের অধ্যায় লেখা আরম্ভ করেছি যার নাম – “বন্দিদশার অবসান”। তিনমাসের অধিক সময় কবুতরের খোপে বন্দি থাকার পর প্রথম যখন অফিসে যোগদান করার ইমেইলটি পেলাম, বুকটা কেমন যেন ধক করে কেঁপে উঠেছিল। আমার তো খুশি হওয়ার কথা, কিন্তু আমি ছিলাম ভীত-সন্ত্রস্ত। কেন? বন্দিদশার অবসান কি সত্যিই আনন্দময় না বিভীষিকাময়?

Read More

সঙ্গনিরোধের নির্ঘণ্ট : আপনার সোনামণির দিনগুলোকে কীভাবে আনন্দময় করে তুলবেন

বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু মহামারীর শঙ্কা এখনও কাটেনি। এই মহামারীর প্রভাব শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিকও। শিশুদের মনে এর প্রভাব পড়ছে সবচেয়ে বেশি। খেলার মাঠ ছেড়ে এখন ছোট্ট শিশুরা চারদেয়ালে বন্দি। এই বন্দিজীবনে খানিকটা খুশির আলো ছড়াতে আজকের এই আবোলতাবোল আলাপ। শৈশবের রঙ্গে রঙিন মা-পিডিয়ার আজকের আয়োজন।

Read More

একজন “খণ্ডকালীন” মায়ের দু’মুঠো আলাপ

ঘরে বসে অফিস – আমাদের পাতে যুক্ত হওয়া নতুন ব্যঞ্জন। কিন্তু ঘরে বসে অফিসের কাজ শুনতে যতোটা বিলাসিতা মনে হয়, বাস্তবে তা নয়। যখন জুম মিটিং এর মুঠোবার্তা মোবাইলের স্ক্রীনে উঁকি দিচ্ছে, তখন হয়তো বাচ্চার পছন্দের “বেবি শার্ক” বেজে চলেছে মুঠোফোনে। অফিসের দিনলিপি লেগোর টুকরোর নিচে চাপা পড়ে গিয়েছে কখন, মা হয়তো টেরও পাননি। ভিডিও কনফারেন্সের মাঝে কখনও বিশেষ অতিথিরও আগমন ঘটে মায়ের কোলে, যখন খেলনাবাটি নিয়ে খেলতে খেলতে মহাশয় হয়রান হয়ে পড়েন আর কান্না জুড়ে দেন। এই পরিস্থিতি এখন নিত্যদিনের, যা পুরোনো এক বিতর্ককে নতুন করে উসকে দেয় – কর্মজীবী মা বনাম গৃহিণী মা।

Read More